0
  Client Area
বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

ব্যবসার জন্য কেন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রাখবেন?

●হিসাব-নিকাশ ছাড়া যেকোনো ব্যবসায়ই ধীরে ধীরে ধ্বংসের ঝুকি থাকে। অপরদিকে ধৈর্ধ ধরে কাগজে কলমে ব্যবসায়িক সবকিছু লিখা এবং নির্ভুল হিসাব করাও অনেক ঝামেলার। এতে ভুল করা, অন্যরা হিসাব দেখা এবং খাতা নষ্ট হওয়ারও ভয় থাকে। আইটি বন্ধু লিমিটেডের ভার্চুয়াল ম্যানেজার দিচ্ছে এসব সমস্যার সহজ সমাধান।
●এই ম্যানেজার থাকলে কর্মী/সেলসম্যানরা প্রতারণার কোনো সুযোগ পাবে না।
●সরাসরি দক্ষ ম্যানেজার রাখলেও আপনার সাথে প্রতারণার সুযোগ এবং ঝুকি থাকা সত্বেও মাসে অন্তত ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। ?অথচ ঝুঁকিমুক্ত এবং নির্ভুল এই ভার্চুয়াল ম্যানেজারের বেতন মাত্র ৪৯৯ টাকা।
●ফোন, কম্পিউটার সহ যেকোনো ডিভাইসে ব্যবহার উপযোগী

?কয়েকটি অপশন দেখলেই সুবিধাগুলো বুঝা যায়!

1. ব্যাংক, ক্যাশ, ডিপোজিট, ওপেনিং ব্যালেন্স এবং অন্যান্য ভাগে হিসাব
2. ক্যাটেগরি ও পণ্য, সাপ্লায়ার, ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য, বাকি ও নগদের ভিত্তিতে স্টকে পণ্য ঢুকানো
3. “পয়েন্ট অব সেল” এর মাধ্যমে কোন আইটেম কয়টা বিক্রিনাম, ছবি, ঠিকানা, ফোন নাম্বারের ভিত্তিতে বাকীতে/কিস্তিতে বিক্রি ও টাকা আদায়
4. অন্যান্য সব ধরণের আয়-ব্যায় এবং লোন/ঋনের হিসাব রাখার।
5. যেকোনো সেল ও পার্চেস এর রিসিপ্ট, রিপোর্ট, হিসাব প্রিন্ট এর সুবিধা।
6. কাজের সুবিধার্থে কেনা দাম, আয়-ব্যায় সহ অন্যান্য গোপন বিষয়ের লিমিট দিয়ে কর্মীদের জন্য পাসওয়ার্ড ভিত্তিক একাউন্ট তৈরি করা যায়।
7. তথ্য হারানো ছাড়াই যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইস থেকে এক্সেস নেয়া যাবে।
8. নিজের মনের মত দিন, তারিখ, রেঞ্জ, মাস ও বছরের ভিত্তিতে বিভিন্ন রিপোর্ট ও হিসাব দেখা। যেমন: ওভারভিউ, কোন কর্মী কত টাকার সেল দিল, বাকী কালেকশন, সেল (নাম, কোয়ান্টিয়ি, দাম), পার্চেস (নাম, কোয়ান্টিটি, দাম, বাকীর পরিমান), স্টক, ক্যাশবুক, মাসিক আয়, মাসিক ব্যায়, আয়-ব্যায়ের, লাভ-লোকসানের হিসাব।
9. শুরুর দিকে একটু কষ্ট হলেও এই সিস্টেম ব্যবহার করতে থাকলে খুব দ্রুতই সব অপশন বুঝে অভ্যস্ত হওয়া যায়। সবকিছুর সঠিক ব্যবহার করলে অদূর ভবিষ্যতে সুফল পাওয়া যায় যা ব্যবসার প্রসার, লাভ বৃদ্ধি করা এবং ক্ষতি নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। (প্রমানিত)
10. সব কিছু ৯৯.৯৯% নিরাপদ এবং গোপন। আপনার অনুমতি ছাড়া অন্য কেউ আপনার ব্যবসার কিছুই দেখতে পারবে না।

?আইটি বন্ধু লিমিটেড এর সিস্টেমের বিশেষত্বঃ

i. ২৪ ঘন্টা সেবার নিশ্চয়তা। সমস্যা, অভিযোগ বা নতুন অপশন (ফিচার) -এর জন্য কল, ইমেইল এবং অফিসে যোগাযোগের মাধ্যমে কাস্টমার সাপোর্ট।
ii. আমাদের যকল সিস্টেমই ওয়েব নির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত।
iii. কোনো ডিভাইস নির্ভর নয়। অর্থাৎ ডাটা হারানো ছাড়াই যেকোনো সময় যেকোনো যায়গা থেকে যেকোনো ডিভাইস দিয়ে আমাদের সিস্টেম ব্যবহার করা যায়।
iv. সবসময়ই আপনার তথ্য-উপাত্ত অন্য সবার ডাটার চেয়ে আলাদা থাকবে যা অন্য কেউ দেখার ক্ষমতা নেই।
v. সিস্টেম আপডেট এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সবসময়ই কয়েক দল কর্মী নিয়োজিত আছে।
vi. বাংলাদেশ সরকার থেকে অনুমদিত লিমিটেড কোম্পানিগুলোর মধ্যে আইটি বন্ধু লিমিটেড অন্যতম । তাই মানসম্মত সেবা ও গ্রাহকদের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার্থে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

*সার্ভিস এক্টিভের পর অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই একসাথে স্মার্টফোন/ডেস্কটপ/ল্যাপটপ/কম্পিউটার সহ যেকোনো ডিভাইস থেকে ব্যবহার করতে পারবেন।
⚡সফটওয়্যার এর মুল্যঃ
?এককালীনঃ 9999 টাকা (Setup Fee)
?মাসে 499 টাকা সার্ভিস চার্জ

?আইটি বন্ধু লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে মানসম্মত সেবার অঙ্গীকারে দেশী বিদেশি ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আপনিও বেছে নিতে পারেন আপনার ব্যবসার বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে।

ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো দেখতে হবে!

ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো দেখতে হবে!

ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের ৫টি বিশেষ সুবিধাঃ

১. নিজে হিসাব নিকাশের ঝামেলা নেই। অটোমেটিক নির্ভুল হিসাব থাকবে
২. সকল পন্যের স্টিক/পরিমান, আয় ব্যায়ের হিসাব নিকাশ রাখা সহজতর।
৩. কর্মীরা প্রতারণার সুযোগ পাবে না
৪. একজন ম্যানেজার যা যা করবে, একটি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তার চেয়েও বেশী কিছু করতে পারবে।
৫. সময় সাশ্রয়ী

*সুতরাং বলা যায়, ব্যবসাকে স্মার্টভাবে পরিচালা করে টিকিয়ে রাখতে ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বিকল্প নেই।


একসময় ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে মুলত শুধুমাত্র ডেস্কটপ সফটওয়্যারই ব্যবহৃত হতো। কিন্ত ধীরে ধীরে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম/প্ল্যাটফর্মেও প্রচলন শুরু হয়। এরপরই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অনেকের কথা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন আবার কি? এটাও মুলত এক ধরণের ওয়েবভিত্তিক সফটওয়্যার বা সিস্টেম যেটার জন্য কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে না। আপনার নিজস্ব ওয়েব সার্ভারে সিস্টেমটি সেটাপ করবেন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইস থেকে ওয়েব এড্রেসে গিয়ে সিস্টেমটি ব্যবহার করবেন। ঠিক ফেইসবুকের ওয়েবসাইটে যেমন একাউন্ট করলে সেটা যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইসে লগিন করা যায় এবং কোনো ডাটা/ম্যাসেজ/পোস্ট হারায় না, এখানেও সেইম। ফলে আপনার কম্পিউটার সাময়িকভাবে নষ্ট থাকলে/না থাকলেও আপনার কোনো ডাটা হারানোর ভয় নেই। তবে ইন্টারনেট নির্ভর এসব সিস্টেমের অসুবিধা একটাই। ইন্টারনেট না থাকলে কিছুই করা যায়না। তবুও রক্ষনাবেক্ষন, নিরাপত্তা, ব্যবহার সহ সব দিক বিবেচনা করলে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমই সুবিধাজনক।

ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারেঃ

  • আপনার ব্যবসায়ের সকল হিসাবই ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে থাকে। এখানে যতটা গুরুত্বপূর্ণ এগুলোকে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদ এবং একান্তই গোপন রাখা। কারন সিস্টেমে আপনার আয়-ব্যায়ের হিসাব, ক্লায়েন্টদের তথ্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই থাকবে। একবার ভেবে দেখুন, যদি এমন হয় অন্যান্যরা আপনার সব তথ্য হ্যাক/চুরি করতে পারছে, বা তৃতীয় কোনো পক্ষ তথ্যগুলো দেখে অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে অথবা সবগুলো হিসাব-নিকাশ এবং তথ্যই হটাৎ ডিলেট হয়ে গিয়েছে, কেমন অবস্থা হবে? তখন তো স্মার্টভাবেই বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হবেনঅনেক ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার আছে যারা খরচ কমানো/অতিরিক্ত লাভের জন্য উপরোক্ত কাজ তো করেই, পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রাক সফটওয়্যার সার্ভারে ব্যবহার করে। যেগুলোতে ম্যালওয়্যার থাকার ঝুকি থাকে এবং বিভিন্ন কারণে ক্লায়েন্টদের একাউন্ট/সাইট হ্যাক হবার সম্ভাবনা থাকেই। একবার ভেবে দেখেন তো, আপনি কষ্ট করে সাইটে এত কিছু রাখলেন, ডিজাইন করলেন হটাত করে যদি দেখেন সব অন্যদের হাতে চলে গেলো, আপনার সব কিছু কেউ একজন ডিলেট করে ফেলেছে, তখন কি হবে?

এখন হয়ত ভাবছেনঃ

  • আমরা যদি অনলাইন সফটওয়্যার না নিয়ে অফলাইন সফটওয়্যার নেই, তাহলেই তো হয়? কোনোভাবেই কেউ তথ্য চুরি করতে পারবেনা! সফটওয়্যার নির্মাতার যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে আপনি অফলাইন সফটওয়্যার ব্যবহার করলেও সে সকল তথ্যই চুরি করতে পারবে। বরং যেসব সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়, সেগুলো দিয়ে ডেভেলপাররা আপনার ফেইসবুক একাউন্ট, ব্যাংক একাউন্ট, গুগল একাউন্ট সহ বিভিন্ন একাউন্টও হ্যাক করতে পারে। আসলে অফলাইন সফটওয়্যার অনেক আগে একসময় চলনসই ছিল। কিন্ত বর্তমানে অফলাইন সফটওয়্যারের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারণ অফলাইন সফটওয়্যারে অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। আবার হটাৎ করে কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেও সব তথ্য হারিয়ে যায়। তাই বর্তমান সময়ে এশে অফলাইন সফটওয়্যার ফ্রী পেলেও ব্যবহারের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

কিভাবে বুঝব কোনটা ভালো? কাদের কাছ থেকে নিব?

বর্তমানে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অল্প কয়েকটি কোম্পানিই নিজেদের মত করে এই সিস্টেমগুলো বানিয়ে ব্যবহার করার সামর্থ রাখে। কারণ এই ধরণের সিস্টেম তৈরি করাটা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। কিন্ত এই খরচটা কমানো যায়, রেডিমেড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে। একটি নির্দিষ্ট ডিজাইন এবং ফাংশনালিটির সিস্টেম অনেককে ব্যবহারের জন্য বার বার তৈরি করে দেয়া হয়। এতে সময় ও শ্রম তুলমুলকভাবে অনেক কম লাগে।

রেডিমেড সিস্টেমগুলো নেয়ার আগে একবার যাদের কাছ থেকে নিচ্ছেন, কথা বলে/দেখে নিবেন যে সেই সিস্টেমটি আপনার ব্যবসার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। দেখে নিবেন আপনার যা যা সুবিধা প্রয়োজন তার প্রায় সবকিছুই আছে কিনা, এবং সফটওয়্যারটা অনলাইন সুবিধা, একাধিক ব্যবহারকারী, কর্মীদের জন্য আলাদা একাউন্ট এর সুবিধা আছে কিনা। মাসিক/বাতসরিক চার্জ কেমন? এবং তাদের সাপোর্ট/ব্যবহার কেমন। যদি আপনার কাছে বিষয়গুলো সন্তোষজনক লাগে, তাহলে সব কিছু বিবচনা করে সিস্টেম নিয়ে ব্যবহার করবেন।

অবশ্যই মাথায় রাখতেই হবেঃ

ফেইসবুকে নামে বেনামে অনেক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনই দেখা যায়। যেমনঃ “ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম মাত্র * টাকায়। লাইফটাইম। সময় সীমিত”। আপনাদেরকে একটু আগে বলা হয়েছে রেডিমেড সিস্টেমের খরচ অনেক কম হয়। কিন্ত এর মানে এমন নয় যে কয়েকশত টাকায় পাওয়া যায়। মাথায় রাখতে হবে, এটা সেবা। এটা কোনো পণ্য না যে একবার কিনলেই আপনার ঝামেলা শেষ! তাই এই ধরণের সার্ভিস নেয়ার আগে দেখতে হবে যাদের কাছ থেকে নিচ্ছেন তারা কতটুকু বিশ্বস্ত এবং তারা টিকে থাকতে পারবে কিনা।

মেইন কথা হচ্ছে

ফেইসবুকে কোম্পানির নাম বা বিজ্ঞাপন দেখেই ঝাপটে পরবেন না। অনেক ফেইসবুক পেইজ আছে যাদের প্রকৃত কোনো কাগজপত্র বা ঠিকানাই নাই, কিন্ত অনলাইনে কোনোরকমে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে, তারা কোনোরকম প্রতারণা করলে, বা হটাৎ উধাও হয়ে গেলে, সবার ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। এই ধরণের সার্ভিস নেয়ার আগে, টাকার বিষয়টি না দেখে মানস্মমত কিনা এবং কতটুকু বিশ্বস্ত তা দেখুন। অন্যথায় সুবিধা পাওয়ার চেয়ে, ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশী।

আমরা আপনাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানি আইটি বন্ধু লিমিটেড মানসম্মত সেবার জন্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং তারকারাও আমাদের উপর আস্থা রাখে এবং সার্ভিস ব্যবহার করে। যেকোনো ধরণের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েব হোস্টিং, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য আইটি সেবার জন্য কল করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে: 01938001000