fbpx
বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

ব্যবসার জন্য কেন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রাখবেন?

●হিসাব-নিকাশ ছাড়া যেকোনো ব্যবসায়ই ধীরে ধীরে ধ্বংসের ঝুকি থাকে। অপরদিকে ধৈর্ধ ধরে কাগজে কলমে ব্যবসায়িক সবকিছু লিখা এবং নির্ভুল হিসাব করাও অনেক ঝামেলার। এতে ভুল করা, অন্যরা হিসাব দেখা এবং খাতা নষ্ট হওয়ারও ভয় থাকে। আইটি বন্ধু লিমিটেডের ভার্চুয়াল ম্যানেজার দিচ্ছে এসব সমস্যার সহজ সমাধান।
●এই ম্যানেজার থাকলে কর্মী/সেলসম্যানরা প্রতারণার কোনো সুযোগ পাবে না।
●সরাসরি দক্ষ ম্যানেজার রাখলেও আপনার সাথে প্রতারণার সুযোগ এবং ঝুকি থাকা সত্বেও মাসে অন্তত ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। 😃অথচ ঝুঁকিমুক্ত এবং নির্ভুল এই ভার্চুয়াল ম্যানেজারের বেতন মাত্র ৪৯৯ টাকা।
●ফোন, কম্পিউটার সহ যেকোনো ডিভাইসে ব্যবহার উপযোগী

🧐কয়েকটি অপশন দেখলেই সুবিধাগুলো বুঝা যায়!

1. ব্যাংক, ক্যাশ, ডিপোজিট, ওপেনিং ব্যালেন্স এবং অন্যান্য ভাগে হিসাব
2. ক্যাটেগরি ও পণ্য, সাপ্লায়ার, ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য, বাকি ও নগদের ভিত্তিতে স্টকে পণ্য ঢুকানো
3. “পয়েন্ট অব সেল” এর মাধ্যমে কোন আইটেম কয়টা বিক্রিনাম, ছবি, ঠিকানা, ফোন নাম্বারের ভিত্তিতে বাকীতে/কিস্তিতে বিক্রি ও টাকা আদায়
4. অন্যান্য সব ধরণের আয়-ব্যায় এবং লোন/ঋনের হিসাব রাখার।
5. যেকোনো সেল ও পার্চেস এর রিসিপ্ট, রিপোর্ট, হিসাব প্রিন্ট এর সুবিধা।
6. কাজের সুবিধার্থে কেনা দাম, আয়-ব্যায় সহ অন্যান্য গোপন বিষয়ের লিমিট দিয়ে কর্মীদের জন্য পাসওয়ার্ড ভিত্তিক একাউন্ট তৈরি করা যায়।
7. তথ্য হারানো ছাড়াই যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইস থেকে এক্সেস নেয়া যাবে।
8. নিজের মনের মত দিন, তারিখ, রেঞ্জ, মাস ও বছরের ভিত্তিতে বিভিন্ন রিপোর্ট ও হিসাব দেখা। যেমন: ওভারভিউ, কোন কর্মী কত টাকার সেল দিল, বাকী কালেকশন, সেল (নাম, কোয়ান্টিয়ি, দাম), পার্চেস (নাম, কোয়ান্টিটি, দাম, বাকীর পরিমান), স্টক, ক্যাশবুক, মাসিক আয়, মাসিক ব্যায়, আয়-ব্যায়ের, লাভ-লোকসানের হিসাব।
9. শুরুর দিকে একটু কষ্ট হলেও এই সিস্টেম ব্যবহার করতে থাকলে খুব দ্রুতই সব অপশন বুঝে অভ্যস্ত হওয়া যায়। সবকিছুর সঠিক ব্যবহার করলে অদূর ভবিষ্যতে সুফল পাওয়া যায় যা ব্যবসার প্রসার, লাভ বৃদ্ধি করা এবং ক্ষতি নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। (প্রমানিত)
10. সব কিছু ৯৯.৯৯% নিরাপদ এবং গোপন। আপনার অনুমতি ছাড়া অন্য কেউ আপনার ব্যবসার কিছুই দেখতে পারবে না।

🤗আইটি বন্ধু লিমিটেড এর সিস্টেমের বিশেষত্বঃ

i. ২৪ ঘন্টা সেবার নিশ্চয়তা। সমস্যা, অভিযোগ বা নতুন অপশন (ফিচার) -এর জন্য কল, ইমেইল এবং অফিসে যোগাযোগের মাধ্যমে কাস্টমার সাপোর্ট।
ii. আমাদের যকল সিস্টেমই ওয়েব নির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত।
iii. কোনো ডিভাইস নির্ভর নয়। অর্থাৎ ডাটা হারানো ছাড়াই যেকোনো সময় যেকোনো যায়গা থেকে যেকোনো ডিভাইস দিয়ে আমাদের সিস্টেম ব্যবহার করা যায়।
iv. সবসময়ই আপনার তথ্য-উপাত্ত অন্য সবার ডাটার চেয়ে আলাদা থাকবে যা অন্য কেউ দেখার ক্ষমতা নেই।
v. সিস্টেম আপডেট এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সবসময়ই কয়েক দল কর্মী নিয়োজিত আছে।
vi. বাংলাদেশ সরকার থেকে অনুমদিত লিমিটেড কোম্পানিগুলোর মধ্যে আইটি বন্ধু লিমিটেড অন্যতম । তাই মানসম্মত সেবা ও গ্রাহকদের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার্থে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

*সার্ভিস এক্টিভের পর অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই একসাথে স্মার্টফোন/ডেস্কটপ/ল্যাপটপ/কম্পিউটার সহ যেকোনো ডিভাইস থেকে ব্যবহার করতে পারবেন।
⚡সফটওয়্যার এর মুল্যঃ
🔥এককালীনঃ 9999 টাকা (Setup Fee)
🔥মাসে 499 টাকা সার্ভিস চার্জ

🛈আইটি বন্ধু লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে মানসম্মত সেবার অঙ্গীকারে দেশী বিদেশি ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আপনিও বেছে নিতে পারেন আপনার ব্যবসার বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে।

ওয়েবসাইট দরকার? যেসব কারণে প্রতারিত হতে পারেন আপনিও

ওয়েবসাইট দরকার? যেসব কারণে প্রতারিত হতে পারেন আপনিও

একটি ওয়েবসাইট থাকার বিশেষ ৬টি সুবিধাঃ

১। ইউনিক বা অদ্বিতীয় পরিচয়
২। প্রতিষ্ঠানের নামই ইউনিক পরিচয় যা বোধগম্য এবং মনে রাখার মত। যেমনঃ www.itbondbu.com
৩। নিজেদের সেবা বা পন্যগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরা যায়।
৪। অনলাইনের মাধ্যমে ক্লায়েন্টের কাছে পণ্য বিক্রিও করতে পারবেন।
৫। সকল কার্যক্রম, যোগাযোগের ঠিকানা, ফোন নাম্বার সহ যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা যায়।
৬। থার্ড পার্টি ইমেইল ঠিকানার পরিবর্তে নিজের নিয়ন্ত্রনাধীন ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করা যায়। এটা বিজনেস মেইল হিসেবেও পরিচিত। যেমনঃ [email protected], [email protected]
বিজনেস মেইলেই মাধ্যমে সহজেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটা ওমুক কোম্পানির কেউ পাঠিয়েছে কারণ শেষে কোম্পানির ওয়েব এড্রেস আছে।

সুতরাং বলা যায়, এখন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট অপরিহার্য হয়ে উঠছে।


যখন আপনি কাউকে একটি সম্পুর্ণ ওয়েবসাইট বানানোর কাজ দেন তখন পুরো কাজটা ৩টি ভিন্নরকম সার্ভিসে ভাগ হয়ে যায়। ১। ডোমেইন নাম ২। ওয়েব হোস্টিং/সার্ভার এবং ৩। কোড (ডিজাইন & ডেভেলপমেন্ট)

অনেকেই এই ৩টি বিষয়ে বেসিক ধারণা না থাকায় প্রতারণার স্বীকার বেশী হয়ে থাকেন। সংক্ষেপে নিন্মে তুলে ধরা হলোঃ তাহলেই বিষয়টা বুঝতে পারবে।

১। ডোমেইন নামঃ

এটাই মুলত কোনো ওয়েবসাইটের মেইন পরিচয় বা ঠিকানা। যেমনঃ itbondhu.com
কোনো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে প্রথমেই ডোমেইন নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। সচরাচর রেজিস্ট্রেশন করার সময় সবাই ১ বছর পর্যন্ত মেয়াদ পায় এবং ডোমেইন নামটির মালিকানা ধরে রাখতে একটা নির্দিষ্ট পরিমান রিনিউয়াল/নবায়ন ফী দিতে হয়। যেকোনো সময় অগ্রীম পেমেন্ট করে কয়েক বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারে। নামের শেষে যেই এক্সটেনশন লাগানো থাকবে (যেমন .com, .net, .org, .xyz etc) সেটার উপরই রেজিস্ট্রেশন চার্জ এবং রিনিউয়াল খরচ নির্ভর করে।

২। হোস্টিংঃ

সার্ভার/হোস্টিং মুলত এমনই সার্ভিস যার মধ্যেই মুলত আপনার ওয়েবসাইটে যেই টেক্সট/ছবি/ভিডিও/অন্য ফাইল প্রদর্শন করতে পারবেন। হোস্টিং সার্ভিসে মুলত আপনার সাথে কোনো একটি কম্পিউটারের নির্দিষ্ট পরিমান রিসোর্স, স্টোরেজ স্পেস ব্যবহার করতে দেয়া হয়। যেমনঃ ৫ জিবি স্টোরেজ স্পেস, ২ জিবি র‍্যাম সহ আরও কিছু রিসোর্স। এই সার্ভার/কম্পিউটার গুলো সরাসরি আপনি/আমি দেখতে না পারলেও এগুলো কোনো না কোনো ডাটাসেন্টারে ২৪ ঘন্টাই চালু থাকে। শেয়ার করা কম্পিউটার টা যতক্ষন চালু থাকবে এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকবে ততক্ষণই ওয়েবসাইট এ ঢুকা যাবে।
যেহেতু আপনার ওয়েবসাইট সচল রাখার জন্য কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে, সেহেতু হোস্টিং সার্ভিসের জন্যও প্রতি মাসে বা বছরে একটা নির্দিষ্ট পরিমান ফী দিতে হয়।

৩। ওয়েবসাইট ডিজাইন (কোড):

ডোমেইন আর হোস্টিং এ তো শুধুমাত্র ঠিকানা আর ফাইল রাখায়ার জন্য জায়গা নিশ্চিত করে, কিন্ত ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্রাউজ করলে কি কি দেখাবে, কিভাবে দেখাবে, কতটুকু নিরাপদ থাকবে এই কাজগুলো আলাদাভাবে করে নিতে হয়।

এই পর্যায়ে দক্ষ ডেভেলপার দিয়ে কাজ করালে তাকে তার ডিমান্ড অনুযায়ী টাকা দিলেই হয়। সে একবার দক্ষতা দিয়ে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করে দিলেই মুটামুটি কমপ্লিট ওয়েবসাইটে পরিনত হয়। এরপর সে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট বুঝিয়ে দিলে আপনি নিজেই বিভিন্ন পোস্ট করতে পারবেন, সব কিছু আপডেট রাখতে পারবেন। কয়েক মাস/বছর পর পর ওয়েবসাইট এর খুটিনাটি চেক করা, আপডেট করা এবং নতুন কিছু সংযোজন বা বিয়োজনের ক্ষেত্রেই ডেভেলপারের কাছ থেকে হেল্প নিতে হবে।

এবার একটু মনযোগ দিয়ে খেয়াল করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইট বানানোর পর আপনি আপনার কোম্পানির সকল যায়গায় ওয়েবসাইট ঠিকানা ব্যববার করবেন। এমনকি বিজনেস মেইল ও ব্যবহার করবেন। দেখা যাবে, আপনার ব্যবসার নামের পরিচিতির জন্য হয়ত কয়েক লাখ টাকাও খরচ করবেন। “এর কয়েক মাস/বছর পর হটাত করে যদি দেখেন ওয়েবসাইটে ঢুকা যাচ্ছে না, তখন কেমন লাগবে? তারপর যদি দেখেন আপনার ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে অন্য কেউ ব্যবসা করছে? ডোমেইন নামের মালিকানা পরবর্তিত হলে ঝামেলা সমাধান করবেন কিভাবে? অন্য কারও ব্যবসার তথ্য দেখায়?”

বর্তমানে ৭০% বাংলাদেশী মানুষই জানেনা যে তার ডোমেইন নাম সহ ওয়েবসাইট সম্পুর্ণভাবেই অন্যের মালিকানায় এবং এগুলো নিয়ে বিপদে পরার ঝুকিতে আছে।

লক্ষনীয়ঃ

ওয়েবসাইট হলো কয়েকটি সার্ভিসের সমন্বয়। কোনো একটি সার্ভিস বন্ধ থাকলে সম্পুর্ণ ওয়েবসাইটই বন্ধ থাকবে।

মাথায় রাখতে হবে, মানসম্মত সার্ভিসের ক্ষেত্রে খরচ একটু বেশী হবেই। কম খরচের আশায় ফেইসবুকে/গুগলে বিজ্ঞাপনের ফাদে পা দিয়ে লাভ নেই। হয়ত আপনাকে সাময়িক সময়ের জন্য ওয়েবসাইট বুঝিয়ে দিতে পারবে, কিন্ত পরবর্তীতে দেখা যাবে ২-৩ মাস পর আপনি যাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিবেন তারা ওয়েব হোস্টিং সার্ভিসের জন্য ডাটা সেন্টারের টাকা পরিশোধ করবেনা। এবং ফলশ্রুতিতে আপনি আপনার সবকিছুই হারাবেন। তাছাড়াও, দক্ষ এবং বিশস্ত প্রতিষ্ঠান ছাড়া কাজ করানোর কয়েক মাস/দিন পরে হটাত হ্যাকিং, বাগ সহ নানান সমস্যার সম্মুখীন হলে সমাধান পাওয়া ঝামেলার হয়।


আমরা আপনাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানি আইটি বন্ধু লিমিটেড মানসম্মত সেবার জন্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং তারকারাও আমাদের উপর আস্থা রাখে এবং সার্ভিস ব্যবহার করে। যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েব হোস্টিং, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য আইটি সেবার জন্য কল করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে: 01938001000


যা না জানলে প্রতারিত হতে পারেন আপনিও! এক নজরে জেনে নিন ভিডিও থেকে!
ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো দেখতে হবে!

ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো দেখতে হবে!

ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের ৫টি বিশেষ সুবিধাঃ

১. নিজে হিসাব নিকাশের ঝামেলা নেই। অটোমেটিক নির্ভুল হিসাব থাকবে
২. সকল পন্যের স্টিক/পরিমান, আয় ব্যায়ের হিসাব নিকাশ রাখা সহজতর।
৩. কর্মীরা প্রতারণার সুযোগ পাবে না
৪. একজন ম্যানেজার যা যা করবে, একটি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তার চেয়েও বেশী কিছু করতে পারবে।
৫. সময় সাশ্রয়ী

*সুতরাং বলা যায়, ব্যবসাকে স্মার্টভাবে পরিচালা করে টিকিয়ে রাখতে ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বিকল্প নেই।


একসময় ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে মুলত শুধুমাত্র ডেস্কটপ সফটওয়্যারই ব্যবহৃত হতো। কিন্ত ধীরে ধীরে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম/প্ল্যাটফর্মেও প্রচলন শুরু হয়। এরপরই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অনেকের কথা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন আবার কি? এটাও মুলত এক ধরণের ওয়েবভিত্তিক সফটওয়্যার বা সিস্টেম যেটার জন্য কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে না। আপনার নিজস্ব ওয়েব সার্ভারে সিস্টেমটি সেটাপ করবেন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইস থেকে ওয়েব এড্রেসে গিয়ে সিস্টেমটি ব্যবহার করবেন। ঠিক ফেইসবুকের ওয়েবসাইটে যেমন একাউন্ট করলে সেটা যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইসে লগিন করা যায় এবং কোনো ডাটা/ম্যাসেজ/পোস্ট হারায় না, এখানেও সেইম। ফলে আপনার কম্পিউটার সাময়িকভাবে নষ্ট থাকলে/না থাকলেও আপনার কোনো ডাটা হারানোর ভয় নেই। তবে ইন্টারনেট নির্ভর এসব সিস্টেমের অসুবিধা একটাই। ইন্টারনেট না থাকলে কিছুই করা যায়না। তবুও রক্ষনাবেক্ষন, নিরাপত্তা, ব্যবহার সহ সব দিক বিবেচনা করলে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমই সুবিধাজনক।

ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারেঃ

  • আপনার ব্যবসায়ের সকল হিসাবই ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে থাকে। এখানে যতটা গুরুত্বপূর্ণ এগুলোকে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদ এবং একান্তই গোপন রাখা। কারন সিস্টেমে আপনার আয়-ব্যায়ের হিসাব, ক্লায়েন্টদের তথ্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই থাকবে। একবার ভেবে দেখুন, যদি এমন হয় অন্যান্যরা আপনার সব তথ্য হ্যাক/চুরি করতে পারছে, বা তৃতীয় কোনো পক্ষ তথ্যগুলো দেখে অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে অথবা সবগুলো হিসাব-নিকাশ এবং তথ্যই হটাৎ ডিলেট হয়ে গিয়েছে, কেমন অবস্থা হবে? তখন তো স্মার্টভাবেই বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হবেনঅনেক ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার আছে যারা খরচ কমানো/অতিরিক্ত লাভের জন্য উপরোক্ত কাজ তো করেই, পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রাক সফটওয়্যার সার্ভারে ব্যবহার করে। যেগুলোতে ম্যালওয়্যার থাকার ঝুকি থাকে এবং বিভিন্ন কারণে ক্লায়েন্টদের একাউন্ট/সাইট হ্যাক হবার সম্ভাবনা থাকেই। একবার ভেবে দেখেন তো, আপনি কষ্ট করে সাইটে এত কিছু রাখলেন, ডিজাইন করলেন হটাত করে যদি দেখেন সব অন্যদের হাতে চলে গেলো, আপনার সব কিছু কেউ একজন ডিলেট করে ফেলেছে, তখন কি হবে?

এখন হয়ত ভাবছেনঃ

  • আমরা যদি অনলাইন সফটওয়্যার না নিয়ে অফলাইন সফটওয়্যার নেই, তাহলেই তো হয়? কোনোভাবেই কেউ তথ্য চুরি করতে পারবেনা! সফটওয়্যার নির্মাতার যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে আপনি অফলাইন সফটওয়্যার ব্যবহার করলেও সে সকল তথ্যই চুরি করতে পারবে। বরং যেসব সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়, সেগুলো দিয়ে ডেভেলপাররা আপনার ফেইসবুক একাউন্ট, ব্যাংক একাউন্ট, গুগল একাউন্ট সহ বিভিন্ন একাউন্টও হ্যাক করতে পারে। আসলে অফলাইন সফটওয়্যার অনেক আগে একসময় চলনসই ছিল। কিন্ত বর্তমানে অফলাইন সফটওয়্যারের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারণ অফলাইন সফটওয়্যারে অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। আবার হটাৎ করে কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেও সব তথ্য হারিয়ে যায়। তাই বর্তমান সময়ে এশে অফলাইন সফটওয়্যার ফ্রী পেলেও ব্যবহারের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

কিভাবে বুঝব কোনটা ভালো? কাদের কাছ থেকে নিব?

বর্তমানে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অল্প কয়েকটি কোম্পানিই নিজেদের মত করে এই সিস্টেমগুলো বানিয়ে ব্যবহার করার সামর্থ রাখে। কারণ এই ধরণের সিস্টেম তৈরি করাটা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। কিন্ত এই খরচটা কমানো যায়, রেডিমেড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে। একটি নির্দিষ্ট ডিজাইন এবং ফাংশনালিটির সিস্টেম অনেককে ব্যবহারের জন্য বার বার তৈরি করে দেয়া হয়। এতে সময় ও শ্রম তুলমুলকভাবে অনেক কম লাগে।

রেডিমেড সিস্টেমগুলো নেয়ার আগে একবার যাদের কাছ থেকে নিচ্ছেন, কথা বলে/দেখে নিবেন যে সেই সিস্টেমটি আপনার ব্যবসার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। দেখে নিবেন আপনার যা যা সুবিধা প্রয়োজন তার প্রায় সবকিছুই আছে কিনা, এবং সফটওয়্যারটা অনলাইন সুবিধা, একাধিক ব্যবহারকারী, কর্মীদের জন্য আলাদা একাউন্ট এর সুবিধা আছে কিনা। মাসিক/বাতসরিক চার্জ কেমন? এবং তাদের সাপোর্ট/ব্যবহার কেমন। যদি আপনার কাছে বিষয়গুলো সন্তোষজনক লাগে, তাহলে সব কিছু বিবচনা করে সিস্টেম নিয়ে ব্যবহার করবেন।

অবশ্যই মাথায় রাখতেই হবেঃ

ফেইসবুকে নামে বেনামে অনেক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনই দেখা যায়। যেমনঃ “ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম মাত্র * টাকায়। লাইফটাইম। সময় সীমিত”। আপনাদেরকে একটু আগে বলা হয়েছে রেডিমেড সিস্টেমের খরচ অনেক কম হয়। কিন্ত এর মানে এমন নয় যে কয়েকশত টাকায় পাওয়া যায়। মাথায় রাখতে হবে, এটা সেবা। এটা কোনো পণ্য না যে একবার কিনলেই আপনার ঝামেলা শেষ! তাই এই ধরণের সার্ভিস নেয়ার আগে দেখতে হবে যাদের কাছ থেকে নিচ্ছেন তারা কতটুকু বিশ্বস্ত এবং তারা টিকে থাকতে পারবে কিনা।

মেইন কথা হচ্ছে

ফেইসবুকে কোম্পানির নাম বা বিজ্ঞাপন দেখেই ঝাপটে পরবেন না। অনেক ফেইসবুক পেইজ আছে যাদের প্রকৃত কোনো কাগজপত্র বা ঠিকানাই নাই, কিন্ত অনলাইনে কোনোরকমে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে, তারা কোনোরকম প্রতারণা করলে, বা হটাৎ উধাও হয়ে গেলে, সবার ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। এই ধরণের সার্ভিস নেয়ার আগে, টাকার বিষয়টি না দেখে মানস্মমত কিনা এবং কতটুকু বিশ্বস্ত তা দেখুন। অন্যথায় সুবিধা পাওয়ার চেয়ে, ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশী।

আমরা আপনাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানি আইটি বন্ধু লিমিটেড মানসম্মত সেবার জন্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং তারকারাও আমাদের উপর আস্থা রাখে এবং সার্ভিস ব্যবহার করে। যেকোনো ধরণের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েব হোস্টিং, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য আইটি সেবার জন্য কল করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে: 01938001000

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সাবধান! আগে এই বিষয়গুলো জেনে নিন

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সাবধান! আগে এই বিষয়গুলো জেনে নিন

ডোমেইন নামই ওয়েবসাইটের মেইন পরিচয় বা ঠিকানা। একটি ডোমেইনই মুলত কোম্পানির ইউনিক, ডিজিটাল এবং স্মার্ট পরিচয় যা অত্যন্ত বোধগম্য। যেমনঃ itbondhu.com
কোনো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে প্রথমেই ডোমেইন নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। সচরাচর রেজিস্ট্রেশন করার সময় সবাই ১ বছর পর্যন্ত মেয়াদ পায় এবং ডোমেইন নামটির মালিকানা ধরে রাখতে একটা নির্দিষ্ট পরিমান রিনিউয়াল/নবায়ন ফী দিতে হয়। যেকোনো সময় অগ্রীম পেমেন্ট করে কয়েক বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারে। নামের শেষে যেই এক্সটেনশন লাগানো থাকবে (যেমন .com, .net, .org, .xyz etc) সেটার উপরই রেজিস্ট্রেশন চার্জ এবং রিনিউয়াল খরচ নির্ভর করে।

প্রতিষ্ঠানের নামে প্রফেশনাল/বিজনেস মেইলও ডোমেইন নামের উপরই নির্ভরশীল। যেমনঃ [email protected]

কোম্পানির ডোমেইন ব্যাংক একাউন্টের একটি খালি চেকে সাক্ষর করে আমানত রাখার মত। ব্যাংকে টাকা রাখার মতই ডোমেইনও এক ধরণের আমানত যেটা আপনার সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছে গচ্ছিত থাকে।

নিশ্চয়ই আপনার ওয়েবসাইট বানানোর পর আপনি আপনার কোম্পানির সকল যায়গায় ওয়েবসাইট ঠিকানা ব্যববার করবেন। এমনকি বিজনেস মেইল ও ব্যবহার করবেন। দেখা যাবে, আপনার ব্যবসার নামের পরিচিতির জন্য হয়ত কয়েক লাখ টাকাও খরচ করবেন। “এর কয়েক মাস/বছর পর হটাত করে যদি দেখেন আপনার ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে অন্য কেউ ব্যবসা করছে? অন্য কারও ব্যবসার তথ্য দেখায়? মানে আপনার কোম্পানির ডোমেইনের মালিকানা অন্য কেউ কিনে নিয়েছে!”

সমস্যাটা কি ভাই?

বাংলাদেশে অনেকেই কম খরচে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস দিয়ে থাকে। কিন্ত সমস্যা টা কম দাম নিয়ে নয়, সমস্যা টা সেবায় এবং বাটপারিতে। হয়ত ওই প্রতিষ্ঠান গুলো একেবারেই কম প্রফিটে ডোমেইন সম্পর্কিত সেবা দিয়ে থাকে, কিন্ত তাদের সেবা নিয়ে অনেকেই বিপদে আছে।

  • ১। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, কম খরচের আশায় যখন নামে বেনামে প্রতিষ্ঠানের কাছ ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা হয়, তখন তারা তাদের নিজেদের ইমেইল ও পরিচয় দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে দেয় এবং ক্লায়েন্টকে ডোমেইন ব্যবহারের এক্সেস দেয়। কিন্ত প্রধান এক্সেস দেয়না। অর্থাৎ আসল নিয়ন্ত্রন এবং মালিকানা আইটি কোম্পানির কাছেই থাকে। ফলে যেকোনো সময় তারা ক্লায়েন্টকে বিভিন্ন উদাহরণ ও সমস্যা দেখিয়ে টাকা দাবি করতে পারে।
  • ২। ডোমেইনের দাম যেহেতু দিন দিন বাড়তে থাকার সম্ভাবনা থাকে, কারও কাছে নাম ভালো লাগলে কেনার জন্য প্রস্তাবও করতে পারে। তাই কিছু ডোমেইনের জন্য ভালো সুযোগও পাওয়া যায়। তখন সার্ভিস প্রোভাইডার কারও সাথে যোগাযোগ না করেই ভালো দামে বিক্রি করে দেয়।
  • ৩। আরেক ধরণের সার্ভিস প্রোভাইডার আছে যারা আপনার তথ্য দিয়েই রেজিস্ট্রেশন করে দিবে কিন্ত তারা সময়মত সার্ভিস দিবে না। ফলে দেখা যাবে আপনার ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের পরবর্তীতে রিনিউ করতে সমস্যা হতে পারে। ফলশ্রুতিতে আপনার ডোমেইন অন্য কেউ রেজিস্ট্রেশন করে নেয়ার ঝুকি থাকে। এবং মালিকানা পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা থাকে।

ডোমেইনের আসল মালিকের তথ্য দেখবেন কিভাবে?

ডোমেইনের মালিকানা সহ অন্যান্য তথ্য দেখতে who.is এ গিয়ে ডোমেইন লিখে সার্চ করুন। তখন Registrant Contact Information অপশনে মালিকের তথ্য দেখবেন। অথবা whois domain লিখে গুগলে সার্চ করে অন্য ওয়েব টুল গুলোর মাধ্যমেও চেক করতে পারবেন।

বিঃদ্রঃ ডোমেইনে প্রাইভেসি প্রোটেকশন চালু থাকলে Registrant Contact Information এ WhoisGuard Privacy, PrivacyProtect LLC বা অন্য কিছু বিষয় নাম ইমেইল এড্রেস এবং ঠিকানার জায়গায় দেখাবে। তখন ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Privacy Protection অফ করে নিতে হবে। তারপর যদি দেখেন আপনার তথ্য দেখায়, তাহলে মুটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারবেন যে আপনার নামেই ডোমেইনটি রেজিস্টার্ড হয়েছে। তবুএ সার্ভিস প্রোভাইডারের সব ক্ষেত্রেই কিছুটা ক্ষমতা থেকেই যাবে। অর্থাৎ সে বিক্রি করতে পারবে, মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবে। কিন্ত প্রথম পরিবির্তনে আপনি ইমেইলে জানতে পারবেন যে অমুক বিষয়টা পরিবর্তিত হয়েছে।

আশা করি ইতমধ্যে আপনি বুঝে গিয়েছেন, ডোমেইন কোনো পন্য না। একেবারে কেনার কোনো সুযোগ নেই। তাই এমন প্রতিষ্ঠানকেই বেছে করতে হবে যারা বিশ্বাসযোগ্য এবং আপনাকে যুগের পর যুগ সেবা দিয়ে যাবে। কারণ এটা আপনার একটি আমানত। তাই কেউ ফ্রী দিলেও নেয়ার দরকার নাই। দরকার হলে একটু বেশী টাকা খরচ করে হলেও বিশ্বস্ত সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন করুন।

আমরা আপনাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানি আইটি বন্ধু লিমিটেড মানসম্মত সেবার জন্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং তারকারাও আমাদের উপর আস্থা রাখে এবং সার্ভিস ব্যবহার করে। যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েব হোস্টিং, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য আইটি সেবার জন্য কল করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে: 01938001000

ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস নিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন নাতো?

ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস নিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন নাতো?

ওয়েব হোস্টিং কেন দরকার?

ওয়েবসাইটে ঢুকলে যা যা প্রদর্শন করবে যেমন অভ্যন্তরীন কোড (যা সরাসরি দেখা যায় না), ছবি, টেক্সট, অডিও, ভিডিও সহ সব ধরণের ফাইল কোনো না কোন কম্পিউটারে (সার্ভারে) রাখতে হয় এবং সেই কম্পিউটারটি সবসময়ই ইন্টারনেট সংযোগ অবস্থায় চালু রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পিডও যথেষ্ট ফাস্ট হতে হবে যেন একসাথে অনেকগুলো ফাইল দ্রুত আদান-প্রদান করা যায়।

আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটারের মাধ্যমেই কাজটি করতে পারবেন তবে সেক্ষেত্রে কিছু বিষয় সেটাপ করে ২৪ ঘন্টাই আপনার কম্পিউটার সচল রাখতে হবে এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। যদি কোনো কারণে কিছুক্ষনের জন্যও ইন্টারনেট চলে যায় অথবা কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মানুষ ততক্ষন আপনার সাইটে প্রবেশ করতে পারবে না। এসব দেখাশোনা ও রক্ষনাবক্ষনের জন্য দক্ষ মানুষও প্রয়োজন হবে।
এই ধরণের সার্ভার কম্পিউটার বানানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ যথেষ্ট ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। তাই ৯৯.৯৯% মানুষের ক্ষেত্রেই নিজেদের সার্ভারে ওয়েবসাইট হোস্ট করা সম্ভব হয় না।


কিভাবে অন্যের সার্ভার নেয়া যায়? খরচ কেমন?

বিভিন্ন কোম্পানি বা ডাটাসেন্টার আছে যারা শুধুমাত্র কম্পিউটার বা সার্ভার ভাড়া দিয়ে থাকে। অর্থাৎ তারা তাদের এমন কিছু কম্পিউটার ব্যবহার করার সুযোগ দেয় যেগুলোতে ২৪ ঘন্টাই ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা থাকে এবং ২৪ ঘন্টাই চালু থাকে। এই ধরণের সার্ভারগুলোর কনফিগারেশনের উপর ভিত্তি করে মাসিক খরচ দিতে হয়। যেমন আইটি বন্ধু লিমিটেড কিছু কিছু সার্ভারের ভাড়া মাসে ৩০ হাজার টাকারও বেশী দিয়ে থাকে।

কেউ একা একটি ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য সার্ভার সহ অন্যান্য সার্ভিসের মোট খরচ মাসে ৩০ হাজার করে হলে বছরে ৩০,০০০*১২=৩,৬০,০০০ টাকা দেয়ার যুক্তিই নেই। কারণ একটি সার্ভারে শুধু ১টি ওয়েবসাইট নয়, কয়েক হাজার ওয়েবসাইটও হোস্ট করা যায়। তাই খরচ ও ঝামেলা কম করার জন্যই অনেকে মিলে একটি সার্ভার ব্যবহার করে যেখানে মাধ্যম হিসেবে ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার কাজ করে। যেহেতু অনেকে মিলে একটি সার্ভার ব্যবহার করে সেহেতু এটাকে শেয়ার্ড হোস্টিং বলে। এই ধরণের শেয়ার্ড হোস্টিং এ মুলত প্রতিজনকে একেকটি একাউন্ট (cPanel/DirectAdmin/Plesk) দেয়া হয় এবং একাউন্টের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু রিসোর্স ব্যবহার করতে পারবে সেটার লিমিট সেট করে দেয়া হয়। সার্ভিস প্রোভাইডাররা এমন ভাবেই লিমিট সেট করে যেন যে যত বেশী টাকা দিবে সে সর্বোচ্চ তত বেশী রিসোর্স ব্যবহার করতে পারবে

পণ্য? নাকি সেবা?

আশা করি এবার বুঝেছেন, হোস্টিং কোনো পণ্য না, যে একেবারেই দিয়ে দিতে পারবে। ওয়েব হোস্টিং এক ধরণের সেবা। ওয়েব হোস্টিং প্রভাইডার যত মাস ডাটাসেন্টারকে (example: AWS, Google Cloud, Digital Ocean, Contabo etc) টাকা দিবে, ততদিন তারা সার্ভার কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আবার আপনারা যত মাস পেমেন্ট দিবেন, তত মাস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। যদি হটাত করে আপনার প্রভাইডার ডাতাসেন্টারকে পেমেন্ট দেইয়া বন্ধ করে দেইয়, আপনি সার্ভিস প্রোভাইডারকে যত বছরের টাকাই দিয়ে থাকেন না কেন। আপনার সাইট উধাও হয়ে যাবে।

চলুন আমরা কিছু ধরণের ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডারের কাজ দেখিঃ

  • উপরে একটা কথা বলেছিলাম, একাউন্টগুলোতে (cPanel) শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ব্যবহারের লিমিটই দেখা যায়, কিন্ত আপনার জন্য কোনো মিনিমাম রিসোর্স বরাদ্ধ দেয়ার সুযোগ নেই। ফলে অসাধু সার্ভিস প্রোভাইডাররা সিপ্যানেল একাউন্টে বুঝিয়ে দিচ্ছে রিসোর্স (Disk Space, RAM, I/O, Core) অনেক আছে। কারণ এখানে রিসোর্স অল্প হাকলেও যত ইচ্ছে তত দেয়া যায়/ প্রদর্শন করা যায়। যেহেতু শুধুমাত্র ওইগুলো দেখেই প্রকৃত বিষয়টা বুঝার কোনো উপায় নাই, সবাই বিশ্বাস করে ব্যবহার করতে থাকে। এমনও দেখা গিয়েছে, অনেক ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার শুধু একটি সার্ভারেই সাধারণ ধারণক্ষমতা ৩০০ হলেও ১২০০ ক্লায়েন্ট নিয়ে বসে থাকে। ফলে দেখা যায়, ওয়েবসাইটে ঢুকতে সময় অনেক বেশী নেয়, মাঝে মধ্যে ওয়েবসাইটে ব্রাউজ করা যায়না। আর যেসব ওয়েবসাইটে এ ধরণের সমস্যা বেশী থাকে, সেগুলো গুগল র‍্যাংকও হারানোয় রিস্ক থাকে। একটি ওয়েবসাইট যদি মাঝে মধ্যেই এমন থাকে, একজন ক্লায়েন্ট আসলে কোম্পানি সম্পর্কে কি ধারণা কারতে পারে? আসলে এই ধরণের ওয়েবসাইট/হোস্টিং থাকার চেয়ে না থাকা ভালো।
  • অনেক ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার আছে যারা খরচ কমানো/অতিরিক্ত লাভের জন্য উপরোক্ত কাজ তো করেই, পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রাক সফটওয়্যার সার্ভারে ব্যবহার করে। যেগুলোতে ম্যালওয়্যার থাকার ঝুকি থাকে এবং বিভিন্ন কারণে ক্লায়েন্টদের একাউন্ট/সাইট হ্যাক হবার সম্ভাবনা থাকেই। একবার ভেবে দেখেন তো, আপনি কষ্ট করে সাইটে এত কিছু রাখলেন, ডিজাইন করলেন হটাত করে যদি দেখেন সব অন্যদের হাতে চলে গেলো, আপনার সব কিছু কেউ একজন ডিলেট করে ফেলেছে, তখন কি হবে?
  • আরেক ধরণের প্রভাইডার আছে যারা কি ক্ষতি করছে আপনি নিজেও বুঝার ক্ষমতা নেই। আপনার অজান্তেই আপনার ওয়েবসাইটের সকল তথ্য হাতিয়ে নিবে। যেমন আপনার ক্লায়েন্ট এর তথ্য চুরি করা, বিভিন্ন ধরণের ডাটা এনালাইস করে মার্কেটিং করবে, আপনার ওয়েবসাইট হুবহু ক্লোন করবে, বা নকল আরেকটি ডিজাইন বানানোর জন্য কোড কপি করে নিবে, ইত্যাদি।
  • আরও একটি মারাত্মক গ্রুপ আছে। যারা মুলত অনেকের কাছেই অনেক কিছু বুঝ দিয়ে সার্ভিস দিবে, এবং অনেকগুলো ক্লায়েন্ট কালেক্ট করবে। যেহেতু এই সার্ভিসগুলো নেয়ার ক্ষেত্রে সবাই বাতসরিক খরচ দেয়, সেহেতু সবার কাছ থেকেই ১ বছরের অগ্রীম পেমেন্ট নিয়ে নেয়। তারপর ২/১ মাস সার্ভিস দেয়ার পরই তারা সব কিছু নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তখন সাইটের হোস্টিংও খুজে পাওয়া যাবেনা। এরকম কেইসগুলো গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে এবং ভবিষ্যতেও বাড়বে। এ ধরণের সমস্যা হলে, ক্লায়েন্টের সকল কষ্ট+টাকা বৃথা যায়। কারণ ওয়েবসাইট এর ডিজাইনও হারিয়ে ফেলতে হয়। মানে এরপর ক্লায়েন্টের কাছে আর কিছুই থাকেনা।

লক্ষনীয়ঃ

এবার আপনি নিজেই ভেবে দেখুন, আপনি কম দামে ওয়েব হোস্টিং নিয়ে কি এসব ধরণের ঝামেলায় পড়বেন? নাকি একটু বেশী খরচ দিয়ে হলেও যাচাই বাছাই করে সার্ভিস নিবেন? মাথায় রাখবেন, ফেইসবুকে শুধু পেইজ খুলেই অনেকে নামে বেনামে ব্যবসা করছে। শুধু পেইজ লাইক দিয়েই বা রিভিউ দিয়েই এসব বিচার করবেন না। কারণ টাকা দিয়ে এসব লাইক আর রিভিউ কেনা যায়। এসব সার্ভিস নেয়ার আগে একটু ঘাটাঘাটি করে দেখবেন এটা কোনো প্রকৃত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কিনা। আসলেই এদের লিগ্যাল কোনো এন্টিটি আছে কিনা। সব দিক বিচার করে দেখলে যদি অথেন্টিক এবং ট্রাস্টেড মনে হয় তারপর সার্ভিস নিবেন।

আমরা আপনাকে কিভাবে সহযোগীতা করতে পারি?

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানি আইটি বন্ধু লিমিটেড মানসম্মত সেবার জন্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং তারকারাও আমাদের উপর আস্থা রাখে এবং সার্ভিস ব্যবহার করে। যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েব হোস্টিং, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য আইটি সেবার জন্য কল করুন আমাদের হটলাইন নাম্বারে: 01938001000

Call Now Button